নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং জগতে পা রাখতে চান, তাদের কাছে ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) এবং ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Virtual Assistant) কাজ অত্যন্ত জনপ্রিয়। এর প্রধান কারণ হলো কোডিং বা জটিল টেকনিক্যাল স্কিল ছাড়াই মৌলিক কম্পিউটার ও ইংরেজি জ্ঞান থাকলে এই কাজগুলো শেখা ও শুরু করা সম্ভব।
ডাটা এন্ট্রি কাজের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন তথ্য কম্পিউটারে নির্দিষ্ট সফটওয়্যারে ইনপুট দেওয়া, এক ফরম্যাট থেকে অন্য ফরম্যাটে ডাটা কনভার্ট করা (যেমন PDF to Excel), ওয়েব রিসার্চ এবং ডাটা ক্লিনিং। অন্যদিকে, একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোনো ক্লায়েন্টের দূরবর্তী সহকারী হিসেবে তার ইমেইল পরিচালনা, শিডিউল তৈরি, কাস্টমার সাপোর্ট এবং ফাইল ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।
এই কাজগুলোতে সফল হতে হলে কয়েকটি স্কিল খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হয়। তার মধ্যে মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) ও গুগল শিটস-এর উন্নত ব্যবহার, দ্রুত ও নির্ভুল টাইপিং স্পিড, ভালো ইংরেজি যোগাযোগ দক্ষতা এবং সময় ব্যবস্থাপনা অন্যতম। ক্লায়েন্টের সাথে প্রফেশনাল বার্তা আদান-প্রদান করতে জানা এখানে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি।
তবে বর্তমানে এআই এবং অটোমেশন প্রযুক্তির কারণে সাধারণ ডাটা এন্ট্রি কাজের চাহিদা কিছুটা পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই নিজেকে একজন সাধারণ ডাটা এন্ট্রি অপারেটর না ভেবে 'অ্যাডভান্সড ডাটা অ্যানালিস্ট' বা 'স্পেশালাইজড ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট' হিসেবে গড়ে তোলা উচিত। যেমন: ই-কমার্স স্টোর ম্যানেজমেন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলিং বা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টুলস (Trello, Asana) শেখা।
ফাইবার, আপওয়ার্ক এবং লিঙ্কডইন-এর মাধ্যমে সরাসরি ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ করে এই কাজগুলো পাওয়া যায়। কাজের প্রতি নিষ্ঠা, সঠিক সময়ে প্রজেক্ট জমা দেওয়া এবং সততা বজায় রাখলে এই খাতে দীর্ঘদিন সফলভাবে কাজ করা সম্ভব।